যে পথে ফুল ফোটে না (হার্ডকভার) | Je Pothe Ful Fote Na (undefined)

যে পথে ফুল ফোটে না (হার্ডকভার)

৳ 270

৳ 230
১৫% ছাড়
Quantity

0

প্রথমবার অর্ডারে অতিরিক্ত ১০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়। কুপন: FIRSTORDER

মাত্র ১৪৯০ বা তার বেশি টাকার বই অর্ডারে ফ্রি ডেলিভারি।
কুপন:  FREEDELIVERY

বিকাশ পেমেন্টে ১০% পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক*

Loder
Loading...
Loder
Loading...
Loder
Loading...
Loder
Loading...
Loder
Loading...
বই সংক্ষেপ
লেখক

ময়মনসিংহ শহরের আমলা পাড়ায় টিএন রায় রোডে পুরনো দিনের একটি বাসায় চন্দ্রাবতীদের পরিবার ভাড়া থাকে। তার বাবা বিমল কুমার সাহা একটি খাতা বাইন্ডিংয়ের দোকানে ম্যানেজারের পদে চাকরি করে এবং মা সুমিতা সাহা গৃহিণী। তারা দুই বোন, এক ভাই। চন্দ্রাবতীর বোনের নাম অমরাবতী এবং তাদের একমাত্র ছোটো ভাইয়ের নাম রাহুল। তারা যে বাড়িটিতে থাকে তার উল্টো পাশে তাদের বাড়িওয়ালার বাসা। বাড়িওয়ালা হলেও তাদের পরিবারের সাথে উনাদের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। চন্দ্রাবতীরা বাড়িওয়ালাকে চাচা এবং তাঁর স্ত্রীকে চাচি বলে ডাকে। বাড়িওয়ালা চাচার মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। একমাত্র ছেলে সেতুকে নিয়েই তাদের সুখের সংসার।

চন্দ্রাবতীরা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আর তাদের বাড়িওয়ালা মুসলিম। দুই বাসার মাঝখানে কেবল একটা বাঁশের বেড়ার পার্টিশন দেয়া আছে। তবে ইচ্ছে করলেই বেড়া একটু ফাঁক করে অনায়াসে যাওয়া-আসা করা যায়। দুই পরিবারের মধ্যে ধর্ম নিয়ে কোনো বিভেদ নেই, এমনকি কুসংস্কারের মনোভাবও নেই। একে অন্যের বাসায় যাতায়াত কিংবা খাওয়াদাওয়া নিয়ে কোনো প্রকার অচ্ছুতও নেই। তাই তো ঈদ কিংবা পূজাপার্বণে দুই পরিবারের সদস্যরা একত্রে আনন্দ উৎসবে মুখরিত হয়ে ওঠে।

চন্দ্রাবতী ভালো নাচে, আবার গানও বেশ গায়। তার বোনেরও গানের গলা ভীষণ মিষ্টি। পাড়ার পিকনিকে কিংবা কোনো অনুষ্ঠান হলে চন্দ্রাবতী নাচ পরিবেশন করে। কিন্তু চন্দ্রাবতীর তুলনায় অমরাবতী বেশ লাজুক। তাই সে ভালো গাইতে পারলেও কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে না। চন্দ্রাবতী দেখতে পুতুলের মতো সুন্দরী। পরিবারের সকলের কাছে সে খুব আদুরে বলে আহ্লাদ করে, সবাই তাকে চন্দ্রা বলে ডাকে। চন্দ্রার বড়ো বোন অমরাবতীর বিএ পড়তে পড়তেই বিয়ে হয়ে গেছে। তার বর একটা বেসরকারি কলেজের প্রফেসর, তবে বেশ অবস্থাসম্পন্ন। অমরাবতীর অবশ্য এত তাড়াতাড়ি বিয়ে হতো না। বাড়িওয়ালার ছেলে সেতুর সাথে অমরাবতীর গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, যা কেউই জানত না, তবে চন্দ্রাবতী ঠিকই আঁচ করতে পেরে তার দিদির সাথে কথা বলেছিল কিন্তু তার দিদি তাকে সব খুলে বললেও আবেগি হয়ে ছোট বোনকে অনুরোধ করেছিল, সে যেন কাউকেই কিছু না বলে। চন্দ্রাও সব জেনে চুপ থেকেছিল। কারণ বোনের সাথে সেতুকে দেখে খুব ভালো লাগত তার। সেতু ভীষণ ভালো ও মেধাবী একটি ছেলে। এরপর থেকে প্রায়ই গভীর রাতে দুই বারান্দার মাঝে বাঁশের বেড়া সরিয়ে অন্ধকারে বসে গল্প করত চন্দ্রার দিদি আর সেতু। তাদের আবার চন্দ্রাবতী নিজেই রাত জেগে পাহারা দিত।

এদিকে চন্দ্রাবতীও তাদের পাশের বাড়ির শাওন নামের মুসলিম যুবককে মনে মনে খুব পছন্দ করে। শাওনও যে চন্দ্রাবতীকে পছন্দ করে তা চন্দ্রাবতী ঠিকই বুঝতে পারে। কিন্তু দুজনের এই ভালো লাগা কিংবা ভালোবাসাটা কেউই প্রকাশ করে না। কাকতালীয়ভাবে প্রায়ই তাদের চলার পথে দেখা হয়ে যায়। তখন চোখে চোখেই ভাব বিনিময়ে দুজনার মনের মধ্যে যেন উথালপাতাল ঢেউ ওঠে। অকারণে ছল করে একে অন্যের বাসাতেও যাওয়া-আসা করে তারা। অহেতুক বাহানায় শাওনদের বাসায় গেলে শাওন চন্দ্রার দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে মিষ্টি হেসে জিজ্ঞেস করে,

কেমন আছো চন্দ্রা?

Title:যে পথে ফুল ফোটে না (হার্ডকভার)
Publisher: চলন্তিকা
ISBN:9789842939280
Edition:1st Published, 2026
Number of Pages:96
Country:Bangladesh
Language:Bengali
Loder
Loading...
Loder
Loading...
Loder
Loading...
Loder
Loading...
Loder
Loading...

Reviews and Ratings

How to write a good review

Your Rating
*
Your Review
*
[1]
[2]
[3]
[4]
[5]
0

৳ 0